প্রচারের সময় এক বিজেপি কর্মীকে বেধরক মারধর ও হাত কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠল কংগ্রেস ও সিপিএমের বিরুদ্ধে। ঘটনায় আহত বিজেপি কর্মী আসাদুল হক চাঁচোল হাসপাতালে ভর্তি। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের দৌলতপুর ২নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।
জানা গিয়েছে বেশ কয়েকমাস আগে আসাদুল ও তার স্ত্রী ফাইজুল নেহা কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। এরপর ফাইজুল নেহা দৌলতপুর ২ নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থী হয়। এরপর থেকে এলাকার কংগ্রেস ও সিপিএম কর্মীরা এলাকায় ফাইজুল নেহার প্রভাব দেখে রাগে ফুসতে থাকে। বৃহস্পতিবার রাত্রিবেলা স্ত্রী ফাইজুল নেহার হয়ে স্থানীয় চায়ের দোকানে বসে প্রচার করছিলো প্রার্থীর স্বামী আসাদুল হক। সেই সময় তাকে কংগ্রেস ও সিপিএমের কর্মী সর্মথক সাইদুল ইসলাম, রাইম আলী, রমজান আলী ও বেশ কয়েকজন আসাদুলকে ঘিরে লাঠি রড দিয়ে বেধরক মারধর শুরু করে বলে অভিযোগ। তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে আসতেই অভিযূক্তরা পালিয়ে যায়। আহতকে উদ্ধার করে চাঁচোল হাসপাতালে ভর্তি করেন এলাকার মানুষজন। এতে তার মাথায় ও ডান হাতে হাঁসুয়ার কোপ লাগে বলে জানা গেছে। ঘটনায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আসাদুল ও তার পরিবার। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এবিষয়ে আহত বিজেপি কর্মী তথা দৌলতপুর ২নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থীর স্বামী আসাদুল হক অভিযোগ করে বলেন, এদিন রাতে তিনি স্থানীয় একটি ক্যাম্পেনে গেলে সেখানে বিরোধী দলের লোকেরা তাকে হুমকি দিয়ে তার উপর চরাও হয়। তারপর তারা লাঠি, রড, হাঁসুয়া দিয়ে বেধরক মারধর শুরু করে বলে অভিযোগ।
এবিষয়ে দৌলতপুর ২নম্বর গ্রামপঞ্চায়েতের বিজেপি প্রার্থী ফাইজুন নেহার জানান, বিরোধী দলের লোকেরা তার স্বামীকে মারধর করে। এই পরিস্থিতিতে তারা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সাহায্য পায়নি বলে অভিযোগ।
এবিষয়ে চাঁচল ১নং মণ্ডল দক্ষিণাংশের বিজেপির সভাপতি লক্ষণ পাণ্ডে জানান, তাদের দলীয় কর্মীদের মারধোর করেছে বিরোধীরা। এই তীব্র প্রতীবাদ জানান তিনি।